রফিকুল ইসলামের বয়স ২৭। চট্টগ্রামে একটা ছোট দোকান আছে তার। ছোটবেলা থেকে ক্রিকেটের প্রতি অদ্ভুত টান — ম্যাচের পরিসংখ্যান মনে থাকে সহজেই, কোন পিচে কোন বোলার কেমন করে সেটা বলতে পারেন না দেখেও। এই জ্ঞান কাজে লাগাতে পারলে ভালো হতো — এই ভাবনাটা মাথায় ঘুরত বহুদিন।

TK 668-এর কথা জানলেন বন্ধুর কাছ থেকে। প্রথমে সন্দিহান ছিলেন। কিন্তু প্ল্যাটফর্মটা বাংলায়, পেমেন্ট বিকাশে — এই দুটো জিনিস দেখে সিদ্ধান্ত নিলেন চেষ্টা করবেন। নিবন্ধন করলেন, ৳৫০০ দিয়ে শুরু করলেন এবং ওয়েলকাম বোনাসে পেলেন আরও ৳৭৫০।

প্রথম সপ্তাহ — শেখার পর্যায়

শুরুর দিকে রফিকুল ছোট ছোট বাজি ধরতেন — ৳৫০ থেকে ৳১০০। উদ্দেশ্য ছিল প্ল্যাটফর্মটা বোঝা, তাড়াহুড়ো করে বড় বাজি নয়। TK 668-এর লাইভ স্কোর ও অডস সিস্টেমটা তাকে চমকে দিল — রিয়েল টাইমে অডস বদলানো দেখে বুঝলেন মাঠের পরিস্থিতির সাথে কীভাবে বাজির সম্পর্ক।

প্রথম সপ্তাহে কিছুটা লোকসান হলো — প্রায় ৳৩০০। কিন্তু হতাশ হননি। বরং কোন বাজিতে ভুল করলেন সেটা বিশ্লেষণ করলেন। বুঝলেন যে লাইভ ম্যাচে প্রথম ওভারের মধ্যে বাজি না ধরে একটু অপেক্ষা করলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়।

রফিকুলের টিপস: "TK 668-এ প্রথম সপ্তাহ শুধু দেখুন, বুঝুন। ছোট বাজি দিয়ে প্ল্যাটফর্মটা চিনুন। বড় বাজি পরে — যখন নিজেকে প্রস্তুত মনে হবে তখন।"

সপ্তাহ ২ থেকে ৬ — কৌশল পাকানো

দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে রফিকুল নিজস্ব একটা পদ্ধতি তৈরি করলেন। প্রতিটি ম্যাচের আগে পিচ রিপোর্ট, দুই দলের শেষ ৫ ম্যাচের ফলাফল এবং হেড-টু-হেড রেকর্ড দেখতেন। এটুকু তথ্য থেকে নিজস্ব একটা পূর্বাভাস বানাতেন, তারপর TK 668-এর অডসের সাথে মেলাতেন।

যেদিন তার পূর্বাভাস আর অডস দুটো মিলত, সেদিন বাজি ধরতেন — নয়তো না। এই ধৈর্যটাই তার সাফল্যের মূল কারণ বলে তিনি মনে করেন। TK 668-এ প্রতিদিন বাজি ধরতে হবে — এই ভুল ধারণাটা তার কখনো ছিল না।

৬ সপ্তাহ শেষে মোট জয় ৳৮,৫০০ — শুরুর বিনিয়োগের ১৭ গুণেরও বেশি। তবে রফিকুল স্পষ্ট করে বলেন, প্রতি সপ্তাহ সমান ছিল না। দুটো সপ্তাহে কিছু লোকসানও হয়েছে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে কৌশলটা কাজে দিয়েছে।